Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin
Development work

মেয়েদের বিয়ের বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর

0

আলোরপথ ২৪ ডটকম

১৮ বছর  মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স করা না হলে নারী আন্দোলনের কর্মীরা মাঠে আছেন এবং মাঠে থাকবে। ৬৮টি নারী মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে আন্দোলনের কর্মীরা এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
আইনে মেয়েদের বিয়ের বয়স ন্যূনতম বয়স ১৮ নিশ্চিত করার দাবিতে  জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সবাইকে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, একই দাবিতে সারা দেশে একযোগে একই সময়ে এই মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালন করা হয়।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত বিস্মিত, দুঃখিত ও লজ্জিত এই কারণে যে, মেয়েদের বিয়ের বয়স ন্যূনতম ১৮ নিশ্চিত করার দাবিতে আমরা পথে নেমেছি। ১৯২৯ সালে যেখানে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ করা হয়, সেখানে ২০১৪ সালে এসে সরকার কীভাবে নারীদের বিয়ের বয়স ন্যূনতম ১৬ করতে চায়, তাই আমাদের প্রশ্ন। সরকার যদি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকে তাহলে তা হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।’
রওশন জাহান আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিনিধি বলেন, ‘আমাদের সম্মিলিত দাবি মেয়েদের বিয়ের বয়স যদি ১৮ করা না হয়, তাহলে আমরা পথে আছি এবং পথে থাকব।

সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার নারীরা যেন ন্যায়বিচার পান, এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে,

রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পারিবারিক ও যৌন সহিংসতার শিকার মেয়েদের বিচারের অধিকার’ শীর্ষক একটি কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি এ আহ্বান জানান।
এই কর্মশালার আয়োজন করেআন্তর্জাতিক উইমেন জাজেস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ উইমেন জাজেস অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে।
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এর সমাধানে কেবল আইন করলেই চলবে না, সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে—এমনটা উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, নারী নির্যাতন বন্ধে শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের দরকার। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ-রাষ্ট্র সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। আশার বিষয় হলো, বাংলাদেশে শিক্ষার হার বাড়ছে। নারীর ক্ষমতায়নে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী সবাই নারী। তৈরি পোশাক খাতের ৮০ ভাগ শ্রমিকই এখন নারী।
প্রধান বিচারপতি বলেন, বাংলাদেশের নারীদের সমান অধিকার দিয়েছে সংবিধান। সেখানে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক আইনগুলোতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে। নারীরা যেন সুবিচার পান, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।
বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বলেন, সংবিধান নারী-পুরুষকে সমান অধিকার দিলেও অশিক্ষা, দারিদ্র্য বাংলাদেশের নারীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা। এ দেশের সহিংসতার শিকার একটি মেয়েকে থানার পুলিশ থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে সংকট মোকাবিলা করতে হয়। পদে পদে সবাই বোঝানোর চেষ্টা করে যেন মেয়েটাই দায়ী।
যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে মেয়েটিকে কীভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ নেই—এমনটা উল্লেখ করে বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা আরও বলেন, নির্যাতিত নারীর বিচার পেতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন আদালত। এ ধরনের কর্মশালা এতে সহায়ক শক্তি।

 

 

 

Share.

Comments are closed.