Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin

স্থিতিশীল রয়েছে সবজির বাজার

0

 

আলোর পাথ ২৪ ডট কম
রাজধানীর বাজারগুলোতে স্থিতিশীল রয়েছে নিত্যপণ্যের দাম। টানা অবরোধে মধ্য জানুয়ারিতে পাইকারি বাজারে পণ্য সরবরাহে ঘাটতি দেখা গেলেও গত এক সপ্তাহে কমবেশি স্থিতিশীল ছিল বাজার । ব্যবসায়ীরা বলছেন, শাক-সবজির দাম শীত মৌসুমে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও অবরোধের কারণে বাড়বে বলে যে আশঙ্কা করা হয়েছিল তা ঘটেনি। বরং অবরোধের মধ্যে পণ্য পরিবহন বর্ধিত খরচ মিটছে বাস্তবে দাম নিয়ে কৃষকদের আপসের ফলে, যাতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন উৎপাদকরা। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দোকানগুলোতে সব ধরনের শীতের সবজিতে ভরা দেখা গেছে। বাজার ও মানভেদে ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে; বাধাকপিও বিক্রি হচ্ছে একই দামে।প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় ও বেগুন ৪০ টাকায় ।এছাড়া আকারভেদে প্রতিটি লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকা; পালং শাক ও লাল শাক বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি ৩ থেকে ৫ টাকা দরে ।ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন শীত মৌসুমের শুরুতেও এসব পণ্যের দাম এরকমই ছিলো বলে।নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় পেঁয়াজের দাম কমেছে গত সপ্তাহের তুলনায় ।প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকায়।শ্যামবাজার কৃষিপণ্য আড়ৎ বণিক সমিতির সভাপতি হাজী মো. সাঈদ বলেন, হরতাল-অবরোধের কারণে বেশি ভাড়া দিয়ে পণ্য পরিবহনের জন্য দাম কিছুটা বেড়েছে।কারওয়ান বাজার কাঁচামাল আড়ৎ ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পণ্য সরবরাহ কমপক্ষে ২০ ভাগ কমেছে। ধরেন, আগে যেখানে প্রতি রাতে ১০০ ট্রাক আসতো এখন সেখানে আসতে ৬০টি থেকে ৮০টি। তাহলে দাম কি হবে আপনি বলেন।“আবার এসব ট্রাকের ভাড়া এখন ডাবল। তাতে দাম একটু বাড়ছে। যতটা বাড়ার কথা ছিলো ততটা বাড়েনি। কারণ কৃষকদের থেকে কম দামে কিনতে পারছে।”
মুগদা বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা রেজাউল করীম বলেন, “দাম বাড়েনি। বরং বলা যেতে পারে এই সময়ে যেটা কমার কথা ছিলো তা কমেনি।”বিভিন্ন জাতের ও মানের চাল ৩৫ থেকে ৫৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছুটা বেড়েছে আটা-ময়দার দাম। বিশেষ করে প্যাকেটজাত আটা-ময়দার দাম বেড়েছে।বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটজাত আটা ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা কেজি দরে। আর ময়দা ৩৬ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে।খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, পাম অয়েল ৬৫ টাকা, সুপার পাম অয়েল ৭০ টাকা, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১০৫ টাকা, ৫ লিটারের বোতল ৪৯৫ থেকে ৫১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।এছাড়াও দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, নেপালী ডালও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তুরস্কের বড় দানার ডাল ৮০ থেকে ৯০ টাকা আর অ্যাংকর ডাল ৪০ থেকে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে। মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে।রুই মাছ ২০০ থেকে ৩২০ টাকা, গরুর মাংস ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, খাসির মাংস ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে ।রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই। টানা অবরোধ চলছে ৫ জানুয়ারি থেকে । হরতালও রয়েছে এর পাশাপাশি।
Share.

Comments are closed.