Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin
Development work

মিসরের কায়রোতে ২২ জন নিহত হয়েছে ফুটবল স্টেডিয়ামে

0

আলোরপথ২৪.কম

গতকাল রোববার মিসরের কায়রো ২২ জন নিহত হয়েছে ফুটবল স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে । অন্তত আহত হয়েছে ২৫ জন। আজ সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এ কথা জানানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে খবরে জানানো হয়, খেলা দেখতে হাজারো ফুটবল সমর্থক জোর করে স্টেডিয়ামে ঢুকতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সমর্থকদের জটলার উদ্দেশে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় হুড়োহহুড়িতে ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে অনেকে মারা গেছে।
ওই দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসা প্রতিবেদনের তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটেছে। অনেকে ঘাড়ে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছে। ওই ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়।
মাঠের খেলা অব্যাহত রাখা হয়,সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা আরও ছড়াতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে । তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ ঘটনার পর মিসরের প্রিমিয়ার লিগ স্থগিত করা হয়েছে ।
সহিংসতার ঘটনা ঘটে মিসরের জামালেক ও ইনবির মধ্যে ম্যাচ চলাকালে । তবে মিসরে নতুন কিছু নয় ফুটবল খেলা ঘিরে সহিংসতার ঘটনা । ২০১২ সালে পোর্টের মাঠে ফুটবল খেলাকে ঘিরে দাঙ্গায় ৭০ জনের বেশি লোক নিহত হয়।
গতকালকের খেলার সময় দর্শকের সংখ্যা ১০ হাজার নির্ধারণ করে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় । দ্রুতই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। তখন হাজার হাজার ভক্ত বিনা টিকিটে স্টেডিয়ামের দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে খেলা দেখার চেষ্টা করে। পুলিশ এ সময় তাদের সরিয়ে দিতে যায়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, জামালেক সমর্থকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে আতাশবাজি পোড়াচ্ছিল। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে ও ফাঁকা গুলি চালায়।

মোস্তফা ইব্রাহিম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ছোট একটু জায়গায় অবস্থান করা বিশালসংখ্যক সমর্থককে লক্ষ্য করে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। লোকজন তখন হুড়োহুড়ি করে বেরোতে চাইলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিহত ১৯ জনের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে তাদের কেউ গুলিতে মারা যায়নি। পদদলিত ও ঘাড় ভেঙে বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে।

 

Share.

Comments are closed.