ইংল্যান্ডকে ১১১ রানে হারিয়ে,অস্ট্রেলিয়ার মুখে জয়ের হাসি

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ

ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ১১১ রানে হারালো অস্ট্রেলিয়া। আগে ব্যাট করে ম্যাচের সেরা অ্যারন ফিঞ্চের সেঞ্চুরিকাব্য আর গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের নিষ্ঠুর ব্যাটিংয়ে ৯ উইকেটে ৩৪২ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে, ৪১.৫ ওভারে ২৩১ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড।
ম্যাচের অর্ধেকটা রানের পাহাড়ে উঠেই জিতে গিয়েছিলো স্বাগতিকরা। আর ভক্ত সমর্থকদের পরে মিচেল মার্শের ভয়ঙ্কর আঘাত মাতিয়ে তোলে আনন্দে। মূল্যবান ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর এতকিছুর পর কেমন যেন চাপা পড়ে যায় ইংলিশ বোলার স্টিভেন ফিনের অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শেষ তিন বলের উইকেট শিকার, হ্যাটট্রিকের গল্পটা!
দলের ২৫ রানে ব্যক্তিগত ১০ রানেই নেই ওপেনার মঈন আলী। এরপর অন্য কেউ নয়, ফাস্ট বোলার মিচেল মার্শ একা হাতেই দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের ইনিংসের অনেকটা। দ্রুত পরাজয় নিশ্চিত করে দেয়া বোলিংয়ে তিনি একে একে তুলে নেন ইংলিশদের ৫ উইকেট। শুরুটা করেছিলেন তিনি বোপারার জায়গায় দলে আসা ব্যালান্সকে (১০) তুলে নিয়ে। তারপর এক ওভারে পর পর দুই বলে শিকার করেন ইয়ান বেল (৩৬) ও জো রুটকে (৫)। মার্শ এখানে থামেন নি। ফিল্ডারদের কাছ থেকে দারুণ সহায়তা পেয়েছেন। তাতে অধিনায়ক মরগ্যান শুন্য রানে বিদায় নেন মিচেলের কারণে। বাটলার নেই ১২ রান করার পর। ৯২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ইংল্যান্ড। টেলর ও ওকস এই দুজন মিলে সপ্তম উইকেটে বেধেছেন ৯২ রানের জুটি। প্রতিকূল পরিবেশে টেলর বীরত্বের সাথে ব্যাট করেছেন। কিন্তু জনসন এসে ৩৭ রান করা ওকসকে দিয়েছেন ফিরিয়ে। এরপর ফিরেছেন আরো দুজন। তাতে সেঞ্চুরির কাছে থাকা টেলর শেষ ব্যাটসম্যান এন্ডারসনকে নিয়ে ৩৬ রানের জুটি গড়েছেন। এবং এন্ডরসন রান আউট হলে ৯৮ রানেই অপরাজিত থেকে যান টেলর!

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ওয়ার্নার আর ফিঞ্চের। কিন্তু এর মাঝে হানা দেন স্টুয়ার্ট ব্রড। পর পর দুই বলে ওয়ার্নার (২২) ও ওয়াটসনকে (০) তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন। হ্যাটট্রিক না হলেও সামান্য সময়ের জন্য থমকায় অস্ট্রেলিয়া। থমকে যাননি ফিঞ্চ। এই ওপেনারের ব্যাট ক্ষুরধার। তাতে তরতরিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে স্বাগতিকরা। স্মিথও ৫ রান করে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু ৩ উইকেটে ৭০ রান থেকে দলকে ২১৬ রান পর্যন্ত টেনে নিলো কে? ফিঞ্চ এবং অধিনায়ক জর্জ বেইলি। ১৪৬ রানের দারুণ একটা জুটি তারা দিয়েছেন। ফিঞ্চ ক্যারিয়ারের ৪২তম ম্যাচে এবং নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন নিজের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১০২ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ১২৮ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় তার ১৩৫ রানে বিদায়ের কারণ রান আউট। ফিঞ্চের পর বেইলিও (৫৫) বিদায় নিয়েছেন। উইকেটটা নিয়েছেন ফিন।
২০ বলে ২৩ রানের ঝড় তুলে মিচেল মার্শের বিদায়ের কারণও ফিঞ্চ। তার জন্য কি অপেক্ষা করছে বোঝা যায়নি শেষের আগে। ম্যাক্সওয়েল তখন চিত্রনাট্যে নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ। সাথে সঙ্গ দিলেন ৮ নম্বরে ব্যাট করা হ্যাডিন। ১৪ বলে ৩১ রান করেছেন হ্যাডিন। ৪০ বলে ১১ চারে ৬৬ রান ম্যাক্সওয়েলের। আর ইনিংসের শেষ তিন বলে হ্যাডিন, ম্যাক্সওয়েল ও জনসনকে তুলে নিয়ে শেষের গল্পটা নিজের করে নিলেন ফিন। তার হ্যাটট্রিক দিয়েই শেষ অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। ১০ ওভারে ৭১ রানের ৫ উইকেট নিয়েছেন এই ফাস্ট বোলার।

অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ওয়ার্নার আর ফিঞ্চের। কিন্তু এর মাঝে হানা দেন স্টুয়ার্ট ব্রড। পর পর দুই বলে ওয়ার্নার (২২) ও ওয়াটসনকে (০) তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন। হ্যাটট্রিক না হলেও সামান্য সময়ের জন্য থমকায় অস্ট্রেলিয়া। থমকে যাননি ফিঞ্চ। এই ওপেনারের ব্যাট ক্ষুরধার। তাতে তরতরিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে স্বাগতিকরা। স্মিথও ৫ রান করে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু ৩ উইকেটে ৭০ রান থেকে দলকে ২১৬ রান পর্যন্ত টেনে নিলো কে? ফিঞ্চ এবং অধিনায়ক জর্জ বেইলি। ১৪৬ রানের দারুণ একটা জুটি তারা দিয়েছেন। ফিঞ্চ ক্যারিয়ারের ৪২তম ম্যাচে এবং নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন নিজের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১০২ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ১২৮ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় তার ১৩৫ রানে বিদায়ের কারণ রান আউট। ফিঞ্চের পর বেইলিও (৫৫) বিদায় নিয়েছেন। উইকেটটা নিয়েছেন ফিন।
২০ বলে ২৩ রানের ঝড় তুলে মিচেল মার্শের বিদায়ের কারণও ফিঞ্চ। তার জন্য কি অপেক্ষা করছে বোঝা যায়নি শেষের আগে। ম্যাক্সওয়েল তখন চিত্রনাট্যে নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ। সাথে সঙ্গ দিলেন ৮ নম্বরে ব্যাট করা হ্যাডিন। ১৪ বলে ৩১ রান করেছেন হ্যাডিন। ৪০ বলে ১১ চারে ৬৬ রান ম্যাক্সওয়েলের। আর ইনিংসের শেষ তিন বলে হ্যাডিন, ম্যাক্সওয়েল ও জনসনকে তুলে নিয়ে শেষের গল্পটা নিজের করে নিলেন ফিন। তার হ্যাটট্রিক দিয়েই শেষ অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। ১০ ওভারে ৭১ রানের ৫ উইকেট নিয়েছেন এই ফাস্ট বোলার।

 

Share.

Comments are closed.