Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin

ওই চুরি ডোর মালা

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ

আব্দুল কাদের নাহিদ, বাঘা প্রতিনিধি, রাজশাহী

খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে। আগেকার সময় এমন মধুর মধুর গল্প বলে পল্লি গাঁয়ের মা তার সন্তান ঘুমপারাতেন,এখন আর হয়তো এ যুগের মায়েরা তার মায়ের কাছ থেকে এমন গল্প শুনে ছোট বেলায় ঘুমিয়েছেন কিন্তু বর্তমানে তার মায়ের মত তার সন্তনকে কজনই বা এমন মধুর গল্প বলে ঘুমপাড়ায়। হয়তো চিড়িয়াখানার একটু বাঘ ভাল্লুক এর গল্প বলে ঘুম পাড়ায়। আর আমরা যারা নতুন প্রযন্মের তারা হয়তো এই বর্গীওলা কি? তা অনেকেই যানিনা। এমমিই এক বর্র্র্গীওয়ালার কথা বলছি যার বাড়ী রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মশিদপুর গ্রামে। নাম,নুর মোহাম্মদ বয়স ৮৬ বছর এই নুর মোহম্মদ তার গাঁধে বাশেঁর তৈরী ভাড়ের সাথে দুই পাশে দুই টা বাশেঁর তৈরী ডালা ভর্তি করে, কাথাঁ সেলাই করা সুই সুতা ,তাবিজ মাজায় বা গলায় ঝুলানোর জন্য সিলভারের তৈরী ডোর,আয়না চিরুনী,মেয়েদের চুল বাধাঁ খোপা, স্নো, পাউডার চুরি কপালের টিপ কানের দুল আইভু ইত্যাদি। সহ প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ প্রকার পণ্য সামগ্রি নিয়ে বাঘা উপজেলার এ গ্রাম ও গ্রাম মোঠো পথ পাড়ি দিয়ে ঘুরে বেড়ায় আর মানুষের বাড়ীর আঙ্গীনায় এলো তার গলায় আওয়াজ তুলে হাঁক দেয়,ওই চুরি ডোর মালা। তখন তার এই আওয়াজ শুনে বাড়ীর মানুষ বাহিরে এসে তার কাছে থাকা মালামাল ক্রয় করে। নুর মোহাম্মদ বলেন তার এই ব্যবসার বয়স ৪৬ বছর আর এই ব্যবসা করে তার দুই ছেলে আর এক মেয়েকে লালান পালন করেছেন বর্তমানে মেয়ে শ্বশর বাড়ী আর ছেলে সংসার আলাদা তার পরিবার শুধু বুড়া আর বুড়ি তারা দুই জন। সে আরো জানায় আমার মত ব্যবসায়ী এখন আর বেশি নেই বাঘা উপজেলাতে হয়তো হাতে গোনা দু’এক জন। আমি আগের মত আর গ্রামে বেড়াতে পারিনা এখন বয়স হয়েছে অল্পতে ক্লান্ত হয়ে যায়। প্রতিদিন বের হতে পারি না এখন মাঝে মাঝে গ্রামে আসি বর্তমানে ৫০০ শ থেকে ৮ শত টারার মালামাল প্রতিদিন বিক্রি হয়। সে মালামাল ক্রয় করে রাজশাহী,নাটোর,পাবনা সহ স্থানীয় বাজারে বাঘা নারায়নপুর নাটোরের লালপুর। বর্গীওয়ালার কছে মুলত মহিলা দের ব্যাক্তিগত ও সংসারিক সামগ্রি বেশি পাওয়া যায়।

Share.

Comments are closed.