Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin

নিজেকে সুখী রাখার কিছু উপায় !

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম:
নাদিরা বেগম নদী, নিজস্ব প্রতিনিধি

জীবন মানেই হতাশা জীবন মানেই সমস্যা। আর এ সমস্যাকে কেন্দ্র করেই জীবন অতিবাহিত করছি এবং বসবাস করছি সুন্দর এ পৃথিবীতে। ব্যক্তি, পারিবারিক ও কর্মজীবনে ঘুরপাক খাচ্ছে হাজারো রকম সমস্যা। সমস্যা হতে পারে মানসিক ও শারীরিক। সব সমস্যার সম্মুখীণ হয়ে নিজেকে ভালো রাখাটা বিশাল এক চ্যালেঞ্জের ব্যপার। বিশাল এ চাপের মধ্যে ও সমস্যার মধ্যে থেকেও কিছু মানুষ আছে যারা জীবনটাকে উপভোগ করছে আনন্দের পর আনন্দে।

তারা ভালো আছে এবং সুখে আছে। আপনি ভাবুন তো যারা সুখে আছে ও শান্তিতে আছে তারা সত্যিই অর্থ বিত্ত ও প্রতিপত্তির মালিক? উত্তর না। জাপানের একটি গবেষণায় এমনটি উঠে এসেছে যারা সুখী -তাদের মস্তিস্কে এমন এক ধরণের টিুষ্য আছে যা তাদেরকে সুখী ভাবতে অণুপ্রাণিত করে। যারা সুখ জিনিসটা কি গভীর ভাবে অনুভব করেন এবং উপভোগ করেন তাদেরই মস্তিস্কের প্রিকিউনিয়াস গ্রন্থি অনেক বড় আকার ধারণ করে থাকে। আবেগ, অনুভূতি বৃদ্ধি পেলে মস্তিুস্কের এই গ্রন্থিটি সক্রিয় হয়ে থাকে বেশি।

সুখী হওয়ার নিজেকে অন্যের চেয়ে সুখী ভাবার-গবেষণার প্রধান লেখক ও জাপানের কিয়টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়াতারো সাতু বলেছেন- বিভিন্ন গবেষণার পর ফলাফল হিসাবে দেখা গিয়েছে যে, মেডিটেশন বা ধ্যানের কারনে মস্তিস্কের প্রিকিউনিয়াস গ্রন্থির টিস্যুগুলো সচল থাকে বেশি। বিজ্ঞানীদের গবেষণা মতে- মস্তিস্কের এই অংশেই সুখের অনুভূতি ও কার্যাবলীকে বাড়িয়ে তোলে। সুখী হওয়ার গবেষণায় -অংশগ্রহণকারীদের মস্তিস্কের এমআরআই করে, জরীপ করে যা পাওয়া যায়।

তাদের মাত্র দুটি প্রশ্ন করা হয় – ১) তারা গভীরভাবে আবেগ উপভোগ করেন? ২) আবেগ উপভোগ করে বাস্তব জীবনে কতটা সুখী? গবেষণায় এটাই পাওয়া যায় যে, সুখময় আবেগ ও সন্তুুষ্টির সমন্বয় হচ্ছে সুখ। আর দু’টোই আসে প্রিকিউনিওয়াস গ্রন্থি থেকে। সবচেয়ে বেশি স্কোর অর্জন করেন তারা যাদের প্রিকিউনিওয়াস গ্রন্থির কার্যক্ষমতা বেশি। অধ্যাপক সাতু খুবই আনন্দের সাথে আরো বলেন- আমি খুবই সুখী মনে করছি নিজেকে – সুখী হওয়ার কারণটা খুজে বের করছে পেরেছি বলে।

Share.

Comments are closed.