Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin

নারীর জীবনে সফলতা অর্জন করার আছে চমৎকার কিছু কৌশল !

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকম:
নাদিরা বেগম নদী, নিজস্ব প্রতিণিধি

পৃথিবী সৃষ্টির মূলে রয়েছে নারী। নারীরা বিহীন কোন কাজে সফলতা আসে না। নারী হলো পুরুষের জীবনের সফলতার অনুপ্রেরণা। তাই আজকের বিশ্বে ও যুগে পুরুষের সফলতার পাশাপাশি নারীরাও তাদের জীবনের প্রতিটি ধাপে সফল হচ্ছে, এগিয়ে যাচ্ছে দূর্বার গতিতে। তবে অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকা নারীদের জন্য আজকের সফলতা দীর্ঘ সংগ্রাম ও যুদ্ধের ফসল।

নারীরা যদি চিন্তায়, বুদ্ধিতে ও কর্মে আরো বেশি সফল হতে পারে যদি তারা কিছু কৌশল অবলম্বন করে। জীবনের প্রতিটি কাজে থাকতে হবে পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক কর্ম আর দুটোর সংমিশ্রণেই বয়ে নিয়ে আসবে জীবনে সফলতা ও অনাবিল হাসি-আনন্দ। যে নিয়ম বা কৌলশ বা মন্ত্র পালনের মাধ্যমে নারী জীবনে অনায়াসে সফলতা আসবে তা হলো:

১) সঠিক সময়ে সকালে ঘুম থেকে উঠা: নিয়ম করে সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করে অন্যান্য কাজে মননিবেশ করা। এমনটি করলে সফলতা অনস্বীকার্য বলেন-নাসার সাবেক ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর লোরি গারভার। নিয়মিত ভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য আজ তিনি ‘দ্য জায়াল্ট স্টেপস ইন স্পেস এক্্রপ্লোরেশনের দায়িত্ব পালন করছেন।

২) নিয়মিত ইয়োগা করা: নিয়মিত ইয়োগার দ্বারা নিয়মিত ভাবে কর্মক্ষম থাকা যায়। এমনটি বলেন-জেন্ডার প্রাউডের প্রতিষ্ঠাতা এবং পরামর্শদাতা জিনা রোসেরো। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে একধারে মডেল,প্রোডিউসার,বক্তা ও পরামর্শদাতা। তিনি এসকল কাজ একসাথে চালাতে পেরেছেন শুধু শরীর চর্চার মাধ্যমে। কথায় বলে না শরীর ভালো তো মন ভালো আর মন ভালো তো সকল কিছু হাতের মুঠোয়।

৩) সময়কে মূল্যায়ণ করা: নির্দিষ্ট সময় মেনে কাজ করলে যে কোন কাজে সফল হওয়া যায়। তাই সময়কে মূল্যায়ণ করুন এবং সময় উপযোগী প্রতিটি কাজে অংশ গ্রহণ করুন। কথায় বলে সময়ের এক ফোটা ও অসময়ের দশ ফোটা।

৪) পরিমিত ঘুমানোর অভ্যাস করা: শরীরকে সুস্থ রাখার এবং ক্লান্ত শরীরে সতেজতা ফিরিয়ে নিয়ে আসার একমাত্র উপায় হলো ঘুম। তাই নিয়মিত ৮ ঘন্টা করে ঘুমান। সিএনএন’রর পলিটিক্যাল কমেন্টের স্যালি কোহেন বলেন-ব্যস্ত জীবনের মূল প্রাণশক্তি হলো ঘুম।

৫) কিছু সময় একা কাটান: ব্যস্ত জীবনে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই হাঁপিয়ে উঠেন। তাই সকল কাজ কর্ম থেকে নিজেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও দূরে রাখুন। নিজের জন্য সম্পূর্ণভাবে আলাদা সময় বের করুন। একান্তই নিজের মনের কথা শুনুন।

৬) সমিল্লিতভাবে কোন কাজে অংশ গ্রহণ করা: মানব জীবন সত্যিই ব্যস্ততম তাই ব্যস্ততম জীবনে সকল কাজ একা করা মুশকিল তাই এমন কাজ করুন যাতে সকলে মিলে কাজ করা যায়। সকলে মিলে গল্প করা যায়, মাঝে মাঝে আড্ডা দেয়া যায়। এবং প্রতিবেশী নারীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন তাতে করে কিছুটা সময় ভালো কাটবে এতে করে আপনি ফিরে পাবেন জীবন প্রাণ ”াঞ্চল্য, ফিরে পাবেন হারানোর দিনের কিছু রোমান্টিক মূহুর্ত, এবং গল্পের মাধ্যমে ফিরে যেতে পারবেন শৈশব জীবনে। যে জীবন সত্যিই ছিল অনাবিল আনন্দের। তাই মনের সুস্থতা বজায় রাখতে নিজের মনের ভাব অন্যের সাথে শেয়ার করুন। জীবনে বন্ধু-বান্ধব গড়ে বানিয়ে তুলুন।

Share.

Comments are closed.