বন্দর উপজেলা নির্বাহীর সরকারী বাস ভবনে চুরি,জনমনে সংশয়

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ

সাব্বির আহমেদ সেন্টু, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

সম্প্রতি বন্দর উপজেলা নির্বাহীর সরকারী বাস ভবনে চুরি জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। ইউএনও এর সরকারী বাস ভবন থেকে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার সমমূল্যের সম্পদ নিরাপত্তা কর্মীদের ফাঁকি দিয়ে চুরি হয়ে যাওয়া ঘটনা সামান্য কোন ঘটনা নয়। এতে প্রমাণ হয় বন্দর থানার প্রসাশনের হাল চিত্র কি অবস্থায় আছে। বন্দরের সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তথা ভিভি আই পি ও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি যদি নিরাপত্তা বেষ্টনির ভেতরে থেকে নিরাপদে জান মাল রক্ষা করতে না পারেন তাহলে সাধারণ মানুষ কি অবস্থায় আছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্য্যালয়ের মূল গেট থেকেই অবৈধ স্থাপনা চোখে পড়ে। এখানে একটি প্রস্তাবিত বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ও নির্বাহীর গেট সংলগ্ন অবৈধ দোকান পাট চোখে পড়ে। থানা নির্বাহির সরকারী বাস ভবনে যেমন চুরি ডাকাতি মেনে নেয়া যায়না তেমনি নির্বাহীর কার্য্যালয়ে প্রবেশের মূল প্রবেশ গেটের সামনে এমন অবৈধ স্থাপনা খুবই দৃষ্টি কটু লাগে। এই অবৈধ স্থাপনাকে কেন্দ্র করে অবৈধ দখল বেড়েই চলেছে। ইভটিজারদের প্রধাণ আশ্রয় কেন্দ্র এই অবৈধ দোকান পাট। মোবাইলে মেয়েদের ছবি তোলা,ছবি সংগ্রহ করা,শেয়ার করা,মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করা,তাদের আসা যাওয়ার পথে দাড়িয়ে থাকা, জাল সার্টিফিকেট,প্রশ্ন পত্র ফাঁস, জন্ম নিবন্ধন,জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী ও তথ্য পরিবর্তন এ সব কিছুই এই সব দোকান গুলোতে হয়ে থাকে।কিছ’দিন পুলিশী অভিযান ও সাজা দেওয়া হলেও এসব নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছেনা। বহিরাগতদেরও আশ্রয় কেন্দ্র এইসব স্থাপনা। একটি নির্বাহী অফিসের ও স্কুল কলেজের সম্মুখে এমন অবৈধ স্থাপনা কোন ভাবেই কাম্য হতে পারেনা। অবৈধ ও অনিয়মের ওপর দিয়ে যদি একজন উপজেলা নির্বাহীকে প্রবেশ ও বাহির হতে হয় তাহলে দূরের অবস্থা কি হতে পারে! বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে উপজেলা প্রশাসনের বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যাবশ্যক বলে মনে করছে সচেতন মহল।

 

Share.

Comments are closed.