Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin

ইউরোপে রেকর্ড পরিমাণ জরিমানার মুখে গুগল

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ

শপিং সার্চ রেজাল্টে কারসাজি ও নিজেদের পণ্য সার্চ রেজাল্টের উপরের দিকে অনৈতিকভাবে প্রদর্শন করার অভিযোগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রেকর্ড পরিমাণ জরিমানার মুখে পড়তে যাচ্ছে সার্চ জায়ান্ট গুগল। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন জরিমানার অঙ্ক ঘোষণা করতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল।

জরিমানার অঙ্ক নিয়ে ইতোমধ্যে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে।  যে পরিমাণ জরিমানা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কোনোটিই ছোট অঙ্কের নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০০৯ সালে ইন্টেল করপোরেশনকে ইউরোপীয় ইয়নিয়ন যে ১১৮ কোটি ডলার জরিমানা করেছিল, গুগলের জরিমানা তার চেয়েও বেশি হতে পারে।

অরেকটি সূত্র জানিয়েছে, গুগলের বার্ষিক আয়ের অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারে ইইউ। গত বছর গুগলের অায় হয়েছিল ৯ হাজার ২৭ কোটি ডলার। অনেকে বলছে এ জরিমানার পরিমান ৩ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলার  হতে পারে। অর্থদণ্ডের সাথে গুগলের মাথা ব্যাথার কারণ হতে পারে রায়ের অন্যান্য নির্দেশনাও।

রায়ে নিজস্ব শপিং সার্ভিসের সঙ্গে অনুসন্ধান সেবা সম্পর্কের ধরণ পাল্টানোর পাশাপাশি গুগলকে প্রতিদ্বন্দ্বী শপিং সার্ভিসগুলোর সঙ্গেও সম্পর্কের খোলনলচে পাল্টানোর নির্দেশ থাকতে পারে। অর্থাৎ, নিজের অনুকূলে সার্চ রেজাল্ট উপস্থাপন করা থেকেও নিষিদ্ধ হবে গুগল।

ইন্টারনেট সার্চে শপিং সার্ভিসের প্রচারণা করার কারণে সেই ২০১০ সাল থেকে গুগলকে অভিযুক্ত করে আসছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্যাপারটি সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল বিভিন্ন ব্যক্তিত্ত্ব ইতোমধ্যে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে যে, বিগত ৬ বছরের মধ্যে তিনবার ব্যপারটির সুরাহা করতে ব্যর্থ হওয়া গুগল এবার আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে রক্ষা পাবে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ রায়ের জন্য মুখিয়ে আছে ইউরোপের অনেক প্রতিষ্ঠান। এ রায়ের ফলে গুগল তাদের একচেটিয়া রাজত্ব হারাবে এবং এর ফলে তাদের লাভ হবে বলেও আশা করছেন তারা। গুগলের বিরুদ্ধে একচেটিয়াত্ববিরোধী পদক্ষেপ নিতে এসব কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে ইইউর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

২০১০ সালে বিষয়টি দেখভালকারী  ইইউ কম্পিটিশন কমিশন গুগলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে গুগলের সঙ্গে আলোচনা চালান তদানীন্তন কম্পিটিশন কমিশনার জোয়াকিন আলমুনিয়া। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলোর এবং জার্মান ও ফরাসি রাজনীতিকদের আপত্তির কারণে ২০১৪ সালে ইইউ গুগলের প্রস্তাবিত ক্ষতিপূরণকে অপর্যাপ্ত বলে প্রত্যাখ্যান করে।

গুগলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রেও। কিন্তু গুগল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজেদের নীতিতে কিছু পরিবর্তন আনার কথা জানালে সে তদন্ত বন্ধ হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রায়ের ফলে পুরো ইউরোপে ইন্টারনেট সার্চে ব্যাপক পরিবর্তন হতে পারে। কারণ ইউরোপের সার্চ ইঞ্জিনের ৯০ শতাংশই গুগলের দখলে।

Share.

Comments are closed.