Visit Us On TwitterVisit Us On FacebookVisit Us On GooglePlusVisit Us On PinterestVisit Us On YoutubeVisit Us On Linkedin

সাংবাদিকরা জেনে ফেলায় বিআইএমটি’র প্রশিক্ষণ সামগ্রী ফেরত

0

আলোরপথ টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ

স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলোজির(বিআইএমটি) বিভিন্ন অনিয়ম আর দুর্নীতির ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর ফেরত নেওয়া হলো প্রশিক্ষণ সামগ্রী।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাক ভর্তি করে নীরবে ওই সব মালামাল ফেরত নেয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান।নারায়নগঞ্জ বন্দরে অবস্থিত বিআইএমটি’র অভ্যন্তরে ভবন নির্মান ও প্রশিক্ষণ মালামাল ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম আর দুর্নীতির বিষয়ে তথ্যবহুল ধারাবাহিক অনুসন্ধানী সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পরদিনই খুলে নেওয়া হয় শতাধিক সিসি ক্যামেরা ও বেশকিছু প্রশিক্ষণ সামগ্রী। সেই সাথে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল বিআইএমটি পরিদর্শন করে খোজ খবর নেন।যদিও চমৎকার আপ্যায়নের মাধ্যমে প্রতিনিধি দলকে ম্যানেজ করেন দুর্নীতিবাজ প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার শরিফা সুলতানা। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাথে কথা বলতে সংবাদকর্মীদের বাধা দেন। এমনকি বিপদে পড়ার ভয় দেখান অর্থ পিপাসু প্রিন্সিপাল শরিফা। তথ্যানুসন্ধানে ঊঠে আসে স্বনামধন্য মেরিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল শরিফা সুলতানার ব্যপক অনিয়ম আর অসংগতির চিত্র।গত বছরে অবসরে যাওয়া কেয়ার টেকার আবুল কাসেমের মাধ্যমে তিনি বুঝে নিতেন কমিশনের অর্থ।বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ক্রয় করা প্রশিক্ষণ মালামাল বুঝে নেওয়ার জন্য ৪ জন ইন্সট্রাকটরের সমন্বয়ে কমিটি রয়েছে।কিন্তু তাদের না জানিয়ে মোটা অংকের কমিশন নিয়ে প্রিন্সিপালের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গীর আলমের মাইক্রম্যক্স নামের অখ্যাত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিম্নমানের মালামাল ক্রয় করেন। ওই সব মালামাল মাসের পর মাস ওয়ার্কশপে পরে থাকে। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী না হওয়ায় রিসিভ কমিটি মালামাল গ্রহণ করেনি।অবশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে দু’টি ট্রাক ভর্তি করে ২নং ওয়ার্কশপে থাকা ২০টি ওয়েল্ডিং মেশিন নামের প্রশিক্ষণ সামগ্রী ফেরত নিয়ে যায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে রিসিভ কমিটির একজন সদস্য বলেন,রিসিভ কমিটির বিরোধীতা ও উপরের অফিসারদের চাপে বাধ্য হয়ে নিম্নমানের প্রশিক্ষণ মালামাল ফেরত নিয়ে গেছে সরবরাহকারী মাইক্রোম্যক্স।
Share.

Comments are closed.